October 18, 2026, 12:50 am
শিরোনাম:
লামা পৌর বাস টার্মিনালে অবৈধ প্লট বরাদ্দ বাতিল ও পরিবহন সমিতিকে প্লট বরাদ্দের দাবিতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলন পার্বত্য এলাকায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিটি দপ্তরকে পারস্পরিক সহযোগিতায় কাজ করতে হবে: মীর হেলাল পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বান্দরবান জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বিশেষ সাক্ষাৎ ইউএনও মোঃ মঈন উদ্দিনকে বিদায় সংবর্ধনা দিলো লামা প্রেসক্লাব বান্দরবানের দপ্তর প্রধানদের নিয়ে নুতুন জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাটিরাঙ্গায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার টোল আদায়ের নামে আওয়ামী চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা বাজির অভিযোগ সাইট এইড ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে লামায় বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত বিপদে, দুর্যোগে, দুর্ঘটনায় মানুষের পাশে-বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ: থানচিতে পর্যটকবাহী গাড়ি খাদে, নিহত ২ আহত ৫ লামার ফাইতংয়ে ১৩ ইটভাটায় অভিযান: ২৯ লাখ টাকা জরিমানা

বান্দরবানে এনসিপির প্রার্থী এ.এস.এম সুজা উদ্দীনের নির্বাচনী প্রচারণায় সংবিধান বিরোধী ও বেআইনী ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ!

প্রতিবেদক:

প্রেস:

বান্দরবান ৩০০ নং সংসদীয় আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র প্রার্থী এ.এস.এম সুজাউদ্দীন এর নির্বাচনী প্রচারণায় বাংলাদেশের সংবিধানবিরোধী ও বিতর্কিত ‘আদিবাসী’ শব্দের ব্যবহার গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা শাখা উক্ত ঘৃণ্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

বাংলাদেশের সংবিধান স্পষ্টভাবে সকল নাগরিকের সমান অধিকার, মর্যাদা ও পরিচয় নিশ্চিত করেছে। সংবিধানের কোথাও ‘আদিবাসী’ শব্দের স্বীকৃতি নেই; বরং সংবিধানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, উপজাতি ও সম্প্রদায়—এই পরিভাষাগুলো ব্যবহৃত হয়েছে। এ ধরনের সংবিধানবিরোধী শব্দ ব্যবহার শুধু আইনি কাঠামোর পরিপন্থী নয়, বরং এটি জাতীয় ঐক্য, পার্বত্য অঞ্চলের সামাজিক সম্প্রীতি এবং সহাবস্থানের জন্যও মারাত্মক হুমকি।

একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর কাছ থেকে সংবিধান, রাষ্ট্রীয় নীতি ও নাগরিক ঐক্যের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত। কিন্তু নির্বাচনী প্রচারণায় এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক শব্দ ব্যবহার প্রমাণ করে যে বিষয়টি ইচ্ছাকৃত এবং রাজনৈতিকভাবে দায়িত্বজ্ঞানহীন।

উদ্দেশ প্রণোদিতভাবে নিষিদ্ধ ও নেআইনী আদিবাসী শব্দের ব্যবহারের মাধ্যমে পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক উসকানি সৃষ্টি করলেও পাহাড়ের সিংহভাগ জনগোষ্ঠী বাঙালিদের নিয়ে তার নির্দিষ্ট কোনো কর্মপরিকল্পনা বা ইশতেহার নেই। যা বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের শামিল এবং প্রতারণা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ, বান্দরবান জেলা শাখা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং আগামী ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে এ.এস.এম সুজাউদ্দীনকে তার বক্তব্য থেকে সংবিধানবিরোধী ‘আদিবাসী’ শব্দের ব্যবহার প্রত্যাহার করতে হবে।

একই সঙ্গে জনসমক্ষে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা সংশোধন করতে হবে। তাছাড়া ভবিষ্যতে সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী কোনো শব্দ ব্যবহার না করার প্রকাশ্য অঙ্গীকার করতে হবে।

আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে উল্লেখিত দাবি বাস্তবায়ন না হলে, পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ বান্দরবান জেলা শাখা গণতান্ত্রিক ও আইনসম্মত কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে—যার সম্পূর্ণ দায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও তার দলকে নিতে হবে।

আমরা বিশ্বাস করি, পার্বত্য চট্টগ্রাম কোনো বিভাজনের রাজনীতির ক্ষেত্র নয়; এটি সংবিধান, সমঅধিকার ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে এগিয়ে যাওয়ার ভূমি।

বার্তাপ্রেরক,
দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক
পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ
বান্দরবান জেলা শাখা।



Parbotto TwentyFour