August 20, 2026, 12:52 am
শিরোনাম:
লামা পৌরসভায় স্যানিটারি ল্যাট্রিন বরাদ্দে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ: প্রকল্প বন্ধের দাবি এলাকাবাসীর জুলাই বাস্তবায়ন করে হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে ফাঁসি দিতে হবে : লামা শিবির সভাপতি মারুফ লামায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” সেনাবাহিনী প্রধান কর্তৃক আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট (AIII)-এর উদ্বোধন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার নির্দেশনায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাদের জন্য চালু হতে যাচ্ছে ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার ভারী বর্ষণের সতর্কতা!! বান্দরবানের বন্যার্তদের পাশে এনসিপির সুজা লঘুচাপ শক্তি বৃদ্ধির সতর্কতা!! কাজী নজরুল আমাদের প্রাণের ও জাতীয় কবি, তারুণ্যের দীপ্ত প্রতীক : সাচিং প্রু

তিন পার্বত্য জেলার উন্নয়নে সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য মন্ত্রী করার দাবি

প্রতিবেদক:

তিন পার্বত্য জেলার উন্নয়নে সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য মন্ত্রী করার দাবি

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হলেও নানা সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভৌগোলিক দুর্গমতা, সীমিত অবকাঠামো, শিক্ষার নিম্ন হার, অর্থনৈতিক দুরবস্থা এবং কর্মসংস্থানের অভাব—সব মিলিয়ে এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা এখনো প্রত্যাশিত মানে পৌঁছাতে পারেনি।

এ অঞ্চলে বহু জাতিগোষ্ঠীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান থাকলেও উন্নয়নের সুফল সমানভাবে পৌঁছেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা, মানসম্মত চিকিৎসা সেবা, যোগাযোগ অবকাঠামো এবং পর্যটন খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কার্যকর উদ্যোগের প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয়দের অভিমত, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব জরুরি। তাদের মতে, জনাব সাচিং প্রু জেরী তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, স্থানীয় বাস্তবতা সম্পর্কে গভীর ধারণা এবং জনগণের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততাকে কাজে লাগিয়ে তিন পার্বত্য জেলার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।

এদিকে, সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে—বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান যেন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন এবং রাজনীতিবিদ সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন। তাদের বিশ্বাস, সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করা সম্ভব।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, পরিকল্পিত বিনিয়োগ, শিক্ষার প্রসার, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা গেলে তিন পার্বত্য জেলা দেশের উন্নয়নের মূলধারায় আরও শক্তভাবে যুক্ত হবে। আর এজন্য দক্ষ নেতৃত্ব ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তই হতে পারে পরিবর্তনের প্রধান চাবিকাঠি।



Parbotto TwentyFour