লামা প্রতিনিধি:
বান্দরবান জেলা পরিষদে সদস্য সিলেকশনে সর্বসাকুল্যে লামা থেকে পাহাড়ি-বাঙালি মিলে মাত্র ১জনকে জেলা পরিষদ সদস্য করা হচ্ছে বলে জানা যায়।
বৈষম্য মূলক কার্যক্রমের আরেকটি ফল পেতে যাচ্ছে লামাবাসী। এরপূর্বে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ থেকে প্রকাশিত উন্নয়ন কাজের অধিকাংশই বান্দরবান সদর কেন্দ্রিক। ৫০টি প্রকল্পের ২৪টি বান্দরবান সদরকে দেয়া হয়।
ঠিক বৈষম্যের পাথরের চাপায় লামাকে এক ঘরোয়া করে রাখা হয়েছে। জেলা পরিষদের সদস্য দেয়া হয়েছে (পাহাড়ি-বাঙালি মিলে) মাত্র ১জন। বান্দরবান সদর থেকে একাই ৫জন সদস্য নিয়ে অনুমোদিত হবে বলে সূত্রে জানা যায়।
বৈষম্যের বিরুদ্ধে আসতে পারে হরতালের মতো কর্মসূচি। লামা জেলা বাস্তবায়ন কমিটি জানায়, ধারাবাহিক ভাবে বান্দরবান সদরকে মাথার উপর তুলে রেখে অন্যান্য উপজেলাকে পিষ্ঠ করে রাখার প্রতিবাদ আমরা জানিয়ে আসছি পর্যায়ক্রমে। আমরা বৈষম্য চাই না। জনসংখ্যা ও পাহাড়ি-বাঙালি সমন্বয় পূর্বক সঠিক বণ্টন না হলে আমরা তার যথাযথ জবাব দিব।
হিল এন্ড হিউম্যান ডেভলপমেন্ট জানায়, এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ জানাই। পাশাপাশি নীরব ভূমিকা পালন না করে সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, শ্রমিক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের জনসাধারণকে এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাই।