August 20, 2026, 12:53 am
শিরোনাম:
লামা পৌরসভায় স্যানিটারি ল্যাট্রিন বরাদ্দে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ: প্রকল্প বন্ধের দাবি এলাকাবাসীর জুলাই বাস্তবায়ন করে হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে ফাঁসি দিতে হবে : লামা শিবির সভাপতি মারুফ লামায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬” সেনাবাহিনী প্রধান কর্তৃক আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট (AIII)-এর উদ্বোধন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার নির্দেশনায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাদের জন্য চালু হতে যাচ্ছে ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার ভারী বর্ষণের সতর্কতা!! বান্দরবানের বন্যার্তদের পাশে এনসিপির সুজা লঘুচাপ শক্তি বৃদ্ধির সতর্কতা!! কাজী নজরুল আমাদের প্রাণের ও জাতীয় কবি, তারুণ্যের দীপ্ত প্রতীক : সাচিং প্রু

সমতল ও পাহাড়ে কোনো বৈষম্য থাকবে না: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

প্রতিবেদক:

পার্বত্য প্রতিনিধি:

০৬ এপ্রিল ২০২৬, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ সরকারের লক্ষ্য হলো সমতল ও পাহাড়ের মধ্যে কোনো প্রকার বৈষম্য না রাখা এবং দেশকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে নেওয়া। মন্ত্রী বলেন, পাহাড় এবং সমতলে সমান উন্নয়নের মাধ্যমেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।

সোমবার বিকেলে রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান, চাংলান ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পাহাড়ী-বাঙালি সকল সম্প্রদায়ের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। পাহাড়ের উৎসবগুলোর বৈচিত্র্য তুলে ধরে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু বা বিষু—নামের ভিন্নতা থাকলেও এই উৎসবগুলোর মূল সুর একই, আর তা হলো মৈত্রী ও সম্প্রীতি। আমরা প্রতিটি সম্প্রদায়ের উৎসবকে তাদের নিজস্ব নামেই সম্বোধন ও সম্মান জানাব।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি আরও বলেন, বাঙালির নববর্ষ এবং পাহাড়ের এই প্রাণের উৎসবগুলো মিলেমিশে একাকার হয়ে পাহাড়ের বুকে এক অনন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মহোৎসব তৈরি করেছে। তিনি এই সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, জেলা পরিষদ ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এই ৫ দিনব্যাপি অনুষ্ঠানে থাকছে পাহাড়িদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সাংস্কৃতিক উৎসব, খেলাধুলা, পণ্য প্রদর্শনী, নাটক মঞ্চায়নসহ ব্যাপক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, সদর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল একরামুল রাহাত, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক জীতেন চাকমা।

উল্লেখ্য, ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল মূল উৎসব ঘরোয়াভাবে পালিত হবে এবং মারমাদের ঐতিহ্যবাহী ‘জলকেলি’ উৎসবের মাধ্যমে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান সকলকে শান্তি-শৃঙ্খলার সাথে আনন্দঘন পরিবেশে এই উৎসব পালনের আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।



Parbotto TwentyFour